home.social

#promiladebi — Public Fediverse posts

Live and recent posts from across the Fediverse tagged #promiladebi, aggregated by home.social.

  1. #কাজী #নজরুল #ইসলাম কুমিল্লায় আসার পর পরিচয় হয় আশালতা সেনগুপ্তের সঙ্গে। পরিচয় থেকে প্রণয়, প্রণয় থেকে একসময় সম্পর্কটা বিয়ে তে রূপলাভ করে। বিয়ের পর নজরুল ভালোবেসে স্ত্রীর নাম দেন "প্রমীলা দেবী"।

    #প্রমীলা দেবী, যেন এক আজন্ম, আমৃত্যু দুখিনী নারীর নাম। যার পুরো জীবনটাই কেটেছে দুঃখ এবং প্রতীক্ষায়। বিয়ের পর নজরুলের সঙ্গে কুমিল্লা থেকে কলকাতায় চলে আসেন প্রমীলা দেবী এবং তার মা গিরিবালা দেবী। ভালোবেসে বিয়ে করলেও সংসারের প্রতি নজরুল ছিলেন বড্ড বেশি উদাসীন। কিছুদিন পর পরই উড়নচণ্ডী নজরুল সংসার ছেড়ে দূরে কোথাও উধাও হয়ে যেতেন। যেখানে প্রমীলা প্রিয় স্বামীর প্রতীক্ষায় চোখের জল মুছতো, নজরুল তখন দিব্যি অন্য কোথাও চাকরি করছে, #সাহিত্য রচনা করছে। এভাবে প্রতীক্ষায় কেটে গেছে প্রমীলার সারাটাজীবন।

    অবশেষে এক সময় প্রতীক্ষা বোধহয় শেষ হয়। দীর্ঘ রোগে ভুগে অবশেষে প্রমীলা দেবী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাকে সমাধিস্থ করা হয় কলকাতায় নজরুলেরই পৈতৃক নিবাসে। কিন্তু মৃত্যুর পরও তার প্রতীক্ষা ফুরোয়নি। প্রমীলা দেবীর শেষ ইচ্ছে ছিলো তাঁর কবরের পাশেই যেন জায়গা রাখা হয় এবং তাঁর প্রিয় স্বামীর মৃত্যুর পর যেন তাকে সেখানেই সমাধিস্থ করা হয়। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস! যার আজীবন কেটে গেছে প্রতীক্ষায়, সে কি মৃত্যুর পরও প্রতীক্ষা থেকে মুক্তি পাবে? নাহ, পায় নি! কাজী নজরুলের মৃত্যুর পর তাকে বাংলাদেশে ঢাকায় তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করা হয়।

    একটা মানুষ ভালোবেসে তার প্রিয়তমের প্রতীক্ষায় পুরোটা জীবন পার করে দিলো। জীবনে তাকে না পেয়ে মৃত্যুর পরও তার সমাধির পাশে জায়গা রেখে তাঁর প্রিয় মানুষটার জন্য #অপেক্ষা করছে। আর ঠিক কতো জনম অপেক্ষা করলে, কতটা ভালবাসলে এই প্রতীক্ষা শেষ হবে তাঁর?

    সত্যিই ভালোবাসা এক অদ্ভুত সমীকরণ! এবং তার চাইতেও নির্দয় হলো নিয়তি!

    #nazrul #poet #promilaDebi #bangla #bengali #bangladesh #emselimahmed

  2. #কাজী #নজরুল #ইসলাম কুমিল্লায় আসার পর পরিচয় হয় আশালতা সেনগুপ্তের সঙ্গে। পরিচয় থেকে প্রণয়, প্রণয় থেকে একসময় সম্পর্কটা বিয়ে তে রূপলাভ করে। বিয়ের পর নজরুল ভালোবেসে স্ত্রীর নাম দেন "প্রমীলা দেবী"।

    #প্রমীলা দেবী, যেন এক আজন্ম, আমৃত্যু দুখিনী নারীর নাম। যার পুরো জীবনটাই কেটেছে দুঃখ এবং প্রতীক্ষায়। বিয়ের পর নজরুলের সঙ্গে কুমিল্লা থেকে কলকাতায় চলে আসেন প্রমীলা দেবী এবং তার মা গিরিবালা দেবী। ভালোবেসে বিয়ে করলেও সংসারের প্রতি নজরুল ছিলেন বড্ড বেশি উদাসীন। কিছুদিন পর পরই উড়নচণ্ডী নজরুল সংসার ছেড়ে দূরে কোথাও উধাও হয়ে যেতেন। যেখানে প্রমীলা প্রিয় স্বামীর প্রতীক্ষায় চোখের জল মুছতো, নজরুল তখন দিব্যি অন্য কোথাও চাকরি করছে, #সাহিত্য রচনা করছে। এভাবে প্রতীক্ষায় কেটে গেছে প্রমীলার সারাটাজীবন।

    অবশেষে এক সময় প্রতীক্ষা বোধহয় শেষ হয়। দীর্ঘ রোগে ভুগে অবশেষে প্রমীলা দেবী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাকে সমাধিস্থ করা হয় কলকাতায় নজরুলেরই পৈতৃক নিবাসে। কিন্তু মৃত্যুর পরও তার প্রতীক্ষা ফুরোয়নি। প্রমীলা দেবীর শেষ ইচ্ছে ছিলো তাঁর কবরের পাশেই যেন জায়গা রাখা হয় এবং তাঁর প্রিয় স্বামীর মৃত্যুর পর যেন তাকে সেখানেই সমাধিস্থ করা হয়। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস! যার আজীবন কেটে গেছে প্রতীক্ষায়, সে কি মৃত্যুর পরও প্রতীক্ষা থেকে মুক্তি পাবে? নাহ, পায় নি! কাজী নজরুলের মৃত্যুর পর তাকে বাংলাদেশে ঢাকায় তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করা হয়।

    একটা মানুষ ভালোবেসে তার প্রিয়তমের প্রতীক্ষায় পুরোটা জীবন পার করে দিলো। জীবনে তাকে না পেয়ে মৃত্যুর পরও তার সমাধির পাশে জায়গা রেখে তাঁর প্রিয় মানুষটার জন্য #অপেক্ষা করছে। আর ঠিক কতো জনম অপেক্ষা করলে, কতটা ভালবাসলে এই প্রতীক্ষা শেষ হবে তাঁর?

    সত্যিই ভালোবাসা এক অদ্ভুত সমীকরণ! এবং তার চাইতেও নির্দয় হলো নিয়তি!

    #nazrul #poet #promilaDebi #bangla #bengali #bangladesh #emselimahmed