#inshaallah — Public Fediverse posts
Live and recent posts from across the Fediverse tagged #inshaallah, aggregated by home.social.
-
ডিপ্রেশন আসলে কোনো রোগ না—এটা একটি “পিকচারের ফিলিং”।
মনে যেই নেগেটিভ ছবি আটকে থাকে, সেই ছবিই কষ্ট, চাপ, সাফোকেশন তৈরি করে। তাই ছবিটাই যদি বদলে ফেলেন—ফিলিংও বদলে যাবে।কিভাবে করবেন? খুবই সহজ।
চোখ বন্ধ করুন।
যে নেগেটিভ দৃশ্যটি মাথায় আসছে, সেটিকে দূরে সরান—বাতাসে উড়িয়ে দিন, পানিতে ভাসিয়ে দিন, আগুনে পুড়িয়ে দিন—যেভাবে খুশি।
এরপর তার জায়গায় একটি পজিটিভ, শক্তিশালী, আনন্দের পিকচার বসিয়ে দিন।
সাবকনশিয়াস মাইন্ড লজিক বোঝে না—আপনি যা বলবেন, সেটাই বিশ্বাস করবে। তাই আপনি যখন নতুন পিকচার বসাবেন, আপনার ইমোশনও সাথে সাথে বদলে যাবে।
একটা বাস্তব উদাহরণ—এক বাবা তার মেয়ের মৃত্যুর শেষ দৃশ্য দেখে সারাক্ষণ কষ্ট পাচ্ছিলেন। আমরা তাকে বললাম:
“জান্নাতে হাসিমুখে দৌড়াতে থাকা মেয়ের নতুন পিকচার তৈরি করুন।”তিনি করলেন—and guess what?
তার ফিলিং বদলে গেল।পিকচার = ইমোশন।
পিকচার বদলান, ইমোশন বদলে যাবে।এটা কোনো জটিল থেরাপি না—মাত্র মিলিসেকেন্ড লাগে।
যেমন আপনি অ্যাপল কল্পনা করতে পারেন, আবার চাইলে সেটি সরিয়ে অরেঞ্জ বা ব্যানানা এনে বসাতে পারেন—এটা যেমন সহজ, ঠিক তেমনই সহজ আপনার মাইন্ডের পিকচার পরিবর্তন।
মাইন্ডে নেগেটিভ নিউজ, গসিপ, সমস্যার আগাছা ঢুকতে দেবেন না।
পজিটিভ পিকচার, ভালো বই, ভালো চিন্তা—এগুলো দিয়ে মাইন্ডকে সাজান।একবার ট্রাই করুন—নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।
শরীর না, পিকচারই আপনাকে কষ্ট দেয়।
তাই পিকচারের জায়গায় পিকচার বসান—জীবন বদলে যাবে ইনশাআল্লাহ। -
ডিপ্রেশন আসলে কোনো রোগ না—এটা একটি “পিকচারের ফিলিং”।
মনে যেই নেগেটিভ ছবি আটকে থাকে, সেই ছবিই কষ্ট, চাপ, সাফোকেশন তৈরি করে। তাই ছবিটাই যদি বদলে ফেলেন—ফিলিংও বদলে যাবে।কিভাবে করবেন? খুবই সহজ।
চোখ বন্ধ করুন।
যে নেগেটিভ দৃশ্যটি মাথায় আসছে, সেটিকে দূরে সরান—বাতাসে উড়িয়ে দিন, পানিতে ভাসিয়ে দিন, আগুনে পুড়িয়ে দিন—যেভাবে খুশি।
এরপর তার জায়গায় একটি পজিটিভ, শক্তিশালী, আনন্দের পিকচার বসিয়ে দিন।
সাবকনশিয়াস মাইন্ড লজিক বোঝে না—আপনি যা বলবেন, সেটাই বিশ্বাস করবে। তাই আপনি যখন নতুন পিকচার বসাবেন, আপনার ইমোশনও সাথে সাথে বদলে যাবে।
একটা বাস্তব উদাহরণ—এক বাবা তার মেয়ের মৃত্যুর শেষ দৃশ্য দেখে সারাক্ষণ কষ্ট পাচ্ছিলেন। আমরা তাকে বললাম:
“জান্নাতে হাসিমুখে দৌড়াতে থাকা মেয়ের নতুন পিকচার তৈরি করুন।”তিনি করলেন—and guess what?
তার ফিলিং বদলে গেল।পিকচার = ইমোশন।
পিকচার বদলান, ইমোশন বদলে যাবে।এটা কোনো জটিল থেরাপি না—মাত্র মিলিসেকেন্ড লাগে।
যেমন আপনি অ্যাপল কল্পনা করতে পারেন, আবার চাইলে সেটি সরিয়ে অরেঞ্জ বা ব্যানানা এনে বসাতে পারেন—এটা যেমন সহজ, ঠিক তেমনই সহজ আপনার মাইন্ডের পিকচার পরিবর্তন।
মাইন্ডে নেগেটিভ নিউজ, গসিপ, সমস্যার আগাছা ঢুকতে দেবেন না।
পজিটিভ পিকচার, ভালো বই, ভালো চিন্তা—এগুলো দিয়ে মাইন্ডকে সাজান।একবার ট্রাই করুন—নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।
শরীর না, পিকচারই আপনাকে কষ্ট দেয়।
তাই পিকচারের জায়গায় পিকচার বসান—জীবন বদলে যাবে ইনশাআল্লাহ। -
ডিপ্রেশন আসলে কোনো রোগ না—এটা একটি “পিকচারের ফিলিং”।
মনে যেই নেগেটিভ ছবি আটকে থাকে, সেই ছবিই কষ্ট, চাপ, সাফোকেশন তৈরি করে। তাই ছবিটাই যদি বদলে ফেলেন—ফিলিংও বদলে যাবে।কিভাবে করবেন? খুবই সহজ।
চোখ বন্ধ করুন।
যে নেগেটিভ দৃশ্যটি মাথায় আসছে, সেটিকে দূরে সরান—বাতাসে উড়িয়ে দিন, পানিতে ভাসিয়ে দিন, আগুনে পুড়িয়ে দিন—যেভাবে খুশি।
এরপর তার জায়গায় একটি পজিটিভ, শক্তিশালী, আনন্দের পিকচার বসিয়ে দিন।
সাবকনশিয়াস মাইন্ড লজিক বোঝে না—আপনি যা বলবেন, সেটাই বিশ্বাস করবে। তাই আপনি যখন নতুন পিকচার বসাবেন, আপনার ইমোশনও সাথে সাথে বদলে যাবে।
একটা বাস্তব উদাহরণ—এক বাবা তার মেয়ের মৃত্যুর শেষ দৃশ্য দেখে সারাক্ষণ কষ্ট পাচ্ছিলেন। আমরা তাকে বললাম:
“জান্নাতে হাসিমুখে দৌড়াতে থাকা মেয়ের নতুন পিকচার তৈরি করুন।”তিনি করলেন—and guess what?
তার ফিলিং বদলে গেল।পিকচার = ইমোশন।
পিকচার বদলান, ইমোশন বদলে যাবে।এটা কোনো জটিল থেরাপি না—মাত্র মিলিসেকেন্ড লাগে।
যেমন আপনি অ্যাপল কল্পনা করতে পারেন, আবার চাইলে সেটি সরিয়ে অরেঞ্জ বা ব্যানানা এনে বসাতে পারেন—এটা যেমন সহজ, ঠিক তেমনই সহজ আপনার মাইন্ডের পিকচার পরিবর্তন।
মাইন্ডে নেগেটিভ নিউজ, গসিপ, সমস্যার আগাছা ঢুকতে দেবেন না।
পজিটিভ পিকচার, ভালো বই, ভালো চিন্তা—এগুলো দিয়ে মাইন্ডকে সাজান।একবার ট্রাই করুন—নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।
শরীর না, পিকচারই আপনাকে কষ্ট দেয়।
তাই পিকচারের জায়গায় পিকচার বসান—জীবন বদলে যাবে ইনশাআল্লাহ।